শতভাগ আত্ববিশ্বাস থাকলেই জব বিড করুন : মামুন সৃজন

লেখক : , প্রকাশকাল : 13 July, 2012

মামুন সৃজন, ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে একটি পরিচিত নাম। ছোটবেলা থেকেই ক্রিয়েটিভ কিছু করার বিষয়টি তার মাথাতে ঘুরপাক খেতো। সবসময়ই ভিন্নধর্মী, আকর্ষনীয় কিছু করার চেষ্টা করতেন। যার পরিপেক্ষিতে এখন একজন সফল গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে আগমন ও এই সেক্টরে সমসাময়িক বিষয়গুলো নিয়ে সম্প্রতি আর্নট্রিক্সের পক্ষ থেকে আমি আলোচনা করেছিলাম তার সঙ্গে। যারা গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতে চান বা করছেন এবং পাঠকদের সহায়তার লক্ষ্যে তার সঙ্গে সেই আলোচনার কিছু অংশ এখানে প্রকাশ করা হলো।

আর্নট্রিক্স: কেমন আছেন?
মামুন সৃজন: আমার কাছে এই প্রশ্নটি সবচেয়ে কঠিন, তবে প্রশ্নটার পরিপেক্ষিতে আমার জানা সবচেয়ে সহজ জবাব ‘‌জ্বি ভাল আছি’। যারা ফ্রিল্যান্সিং বা ইন্টারনেট সংশ্লিষ্ঠ কাজ করেন তাদের ক্ষেত্রে বিদ্যুত আর ইন্টারনেটের ঝামেলা ছাড়া খারাপ থাকার মত তেমন কিছু ঘটেও না। আমারও তেমনটাই ঘটছে। এই দুই বিষয়টি বাদ দিলে সবসময়ই ভালো থাকি।

আর্নট্রিক্স: বর্তমানে কি করছেন?
মামুন সৃজন: বর্তমানে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন এবং ওয়েব ডিজাইন নিয়েই বেশী ব্যস্ত আছি। সেইসঙ্গে সম্প্রতি একটি ইউএসএ ভিত্তিক চলচিত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানে ডিজাইনার হিসেবে ১ বছরের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। এভাবেই চলছে।

আর্নট্রিক্স: ফ্রিল্যান্সিংয়ের পাশাপাশি অন্য কোনো কিছুর সঙ্গে জড়িত আছেন কি?
মামুন সৃজন: না, আপাতত ফুলটাইম ফ্রিল্যান্সার হিসেবেই কাজ করছি। যেখানে যা কিছু ছোটখাট অংশীদারিত্ব ছিল সেগুলোও আস্তে আস্তে গুটিয়ে নিচ্ছি। তবে ইচ্ছা আছে শীঘ্রই ক্রিয়েটিভ অ্যালিয়েন্সের লোকাল অফিস করার। কাজগুলো বিদেশীদের দিয়ে না করিয়ে দেশের মানুষকে দিয়ে যদি করানো যায় তাহলে এটা সবার জন্যই মঙ্গলজনক। এটি করা গেলে দেশের মানুষের জন্য কিছু করার সুযোগ আসবে।

আর্নট্রিক্স: কিভাবে ফ্রিল্যান্সিংয়ে আসলেন?
মামুন সৃজন: এটা অনেকটা হুট করেই। আমার একটা বন্ধু আছে সুব্রত বিশ্বাস। মূলতঃ ওর আগ্রহেই আমার এদিকে আসা। আর ইন্সপায়ারেশন হিসেবে ছিলেন সবুজ দা যিনি মানচুমাহারা নামেই অধিক পরিচিত পরিচিত। আমার ফ্রিল্যান্সার হয়ে ওঠার একটা সংক্ষিপ্ত বিবরণী কিছুদিন আগে এখানে লিখেছিলাম।

আর্নট্রিক্স: ফ্রিল্যান্সিং পেশা হিসেবে গ্রাফিক ডিজাইনকে বেছে নিলেন কেনো? প্রথমদিকে কি কোনো সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন? যদি হয়ে থাকেন তাহলে সেগুলোর সমাধান কিভাবে করেছিলেন?
মামুন সৃজন: আমি তখন একটা প্রিন্টিং প্রেসে গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে চাকরী করতাম এবং আমার ফ্রিল্যান্সিং শুরু ওডেস্ক থেকে। যদিও ওডেস্কে প্রোফাইল তৈরী করেছিলাম ওয়েব ডেভলপার হিসেবে। প্রোফাইলটাতে আমার দক্ষতা হিসেবে গ্রাফিক ডিজাইন এবং ওয়েব ডেভলপমেন্টের উল্লেখ ছিল এবং পোর্টফোলিওটাও ছিল সেভাবেই।

প্রথম কাজটাই পাই গ্রাফিক ডিজাইন সংক্রান্ত। ওটা শেষ করে পরপর আরো কয়েকটি কাজ পেয়ে যাই ডিজাইনের। ফলে নতুন ডিজাইনগুলো যখন পোর্টফোলিওতে যুক্ত করতে থাকলাম পাশাপাশি ফিডব্যাকগুলোও ডিজাইন রিলেটেড। এরপর যেসব জব ইনভাইটেশন আসতো তার প্রায় সবই গ্রাফিক ডিজাইনের।

বিশেষ কারণে মামৃন সৃজন ছবি প্রকাশে অপারগতা প্রকাশ করায়, তার একটি গ্রাফিক্স ডিজাইন পোস্ট করা হলো।

এছাড়া গত বছরের মে মাসে একটা প্রতিষ্ঠানে প্রথমে ডিজাইনার, সেখান থেকে ডিজাইন টিমের ম্যানেজার এবং শেষে পুরো প্রজেক্ট ম্যানেজার হই। টিমটা ছিল অনেক বড় এবং দেশ বিদেশের অনেক ডিজাইনার-ওয়েব প্রোগ্রামারদের সাথে কাজ করতে হয়েছে। প্রজেক্ট ম্যানেজার হবার সুবাদে এবং আমাকে সবাই ডিজাইনার হিসেবে চিনতো যেহেতু প্রতিষ্ঠানটিতে আমি ডিজাইনার হিসেবেই শুরু করেছিলাম। ফলে কোন ওয়েব প্রোগ্রামার বা এসইও এক্সপার্টকে যখন তাদের অন্য কোন ক্লায়েন্ট গ্রাফিক ডিজাইনারের কথা জিজ্ঞাসা করতো, তাদের অনেকেই আমাকে দেখিয়ে দিতো। এভাবেই মূলতঃ ডিজাইনের নিচে চাপা পড়ে গেছি।

নতুন অবস্থায় সমস্যার কথা বলতে গেলে, ভাষা এবং সংস্কৃতিগত সমস্যাটাই প্রধান ছিলো। কোন ক্লায়েন্ট যখন একটা ব্যানার তৈরী করার জন্য দুই পৃষ্ঠার একটা ইমেইল করতো বা স্কাইপ আইডি নিয়ে সরাসরি কল করে বসতো এমনিতেই নার্ভাস হয়ে পড়তাম।

অনেক ক্লায়েন্ট আপনার সাথে প্রয়োজনের চাইতে বেশী কথা বলে সহজ জিনিসটাকে জটিল করে তুলবে আবার অনেকের কাজ সম্পর্কে কোন ধারণাই নেই, আপনাকে একটা কাজ করতে বলবে কিন্তু কাজটা কেমন/কোন ধরণের কোন ধারণাই না দিয়ে শূন্যে ছেড়ে দেবে। নতুন অবস্থায় এগুলোর সাথে মানিয়ে নিতে পারলে এবং আপনি যে কাজটা করতে যাচ্ছেন সেটা জানা থাকলে বাকিটা তেমন কোন সমস্যা না। আমার পরামর্শের কথা বললে বলবো আপনি যতক্ষণ বুঝতে না পারবেন, ক্লায়েন্টকে প্রশ্ন করুন তবে প্রশ্নগুলো যাতে এরকম না হয় যে, তার ধারণা জন্মায় এ কাজ সম্পর্কে আপনার কোন ধারণাই নেই।

আর্নট্রিক্স: কিভাবে নিজেকে একজন দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে তৈরি করলেন?
মামুন সৃজন: নিজেকে গ্রাফিক ডিজাইনার বলার আগে দক্ষ শব্দটা যোগ করার সময় এখনো হয়েছে এটা আমি বলতে নারাজ, আমার এখনো অনেক কিছু শেখার আছে। তবে এটা ঠিক, চর্চা যতদিন করবেন অভিজ্ঞতা এবং আইডিয়া ততই বাড়বে। ডিজাইন সেকশনটা পুরোপুরি কনসেপ্টের উপরে নির্ভরশীল। ফটোশপ ইলাস্ট্রেটরের টুলবার-মেনুবার মুখস্ত করলেই ডিজাইনার হয়ে ওঠার সব ধাপ শেষ নয়। ওটা প্রাথমিক স্তর।

কোনো কিছু কম্পিউটারে তৈরী করার আগে সেটা মনে মনে আঁকতে জানতে হবে। ব্যাপারটা এরকম, আপনাকে যে কম্পিউটারের সামনে বসেই একটা কাজ করতে হবে তা নয়। আপনাকে পুরো ব্যাপারটা আগে নিজের মাথার মধ্যে তৈরী করে নিতে হবে। সেটা চায়ের দোকানে বসেও হতে পারে আবার টয়লেটে বসেও হতে পারো। সবচেয়ে মজার ব্যাপার আমরা যত দ্রুত একটা কাজ করতে পারি তার চাইতে অনেক দ্রুত কোনকিছু ভাবতে পারি। এই ক্ষমতাকেই কাজে লাগাতে হবে। আপনি ফটোশপে একটা জিনিস বিভিন্নভাবে তৈরী করে যদি দেখতে যান কোনটা কেমন দেখায় তার জন্য প্রচুর সময়ের প্রয়োজন। কিন্তু ঠিক এ কাজটাই যদি আপনি আপনার চিন্তার মধ্য দিয়ে করে ফেলেন তাহলে আপনি অনেক সহজেই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখতে পারেন, কম্পেয়ার করতে পারেন। অনেকের কাছেই কথাটা বিভ্রান্তিকর মনে হতে পারে, কিন্তু এটাও বিশ্বাস করি প্রতিটি মানুষই এটা পারে কিন্তু অনেকেই সারা জীবনেও একবারও চেষ্টা করে দেখে না।

কী করবেন এটা যখন আপনার মনে মনে একেঁ ফেলবেন তারপর কম্পিউটারের সামনে বসে যেটা মনে মনে এঁকেছিলেন সেটা তৈরী করতে শুরু করে দিন। সেটা খুব কঠিন কিছু না। কি করবেন এটা ভাবার জন্য আপনার ক্রিয়েটিভিটি প্রয়োজন, আর কিভাবে করবেন এর জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়ারের টুল-গুলোর ব্যবহার জানা জরুরী। দুটোর সঠিক ব্যবহার যখন করতে পারবেন তখনই আপনাকে এক্সপার্টদের দলে ফেলা যেতে পারে।

নিজে চেষ্টা করার পাশাপাশি দেশ বিদেশের বড় বড় ডিজাইনারদের কাজ দেখুন। আপনাকে কিছুই করতে হবে না, শুধু দেখতে থাকুন। হাজার হাজার ডিজাইন আপনি দেখেছেন এটা একটা বড় সম্পদ। আপাত দৃষ্টিতে এটাকে তেমন কিছু মনে না হলেও এটা আসলেই খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার।

গুগল ইমেজ সার্চের ব্যবহার জানুন, আমরা গুগল ওয়েব সার্চ নিয়ে অনেক লাফালাফি করলেও ইমেজ সার্চের ব্যবহার নিয়ে কেউ মাথা ঘামাই না, কিন্তু ডিজাইনারদের জন্য এটা খুবই জরুরী। তবে প্রোফেশনাল ডিজাইনের ক্ষেত্রে গুগল ইমেজ সার্চ থেকে ছবি ব্যবহার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে বরং স্টক ইমেজ ব্যবহারে অভ্যস্ত হতে হবে। আর এইভাবে আমি নিজের দক্ষতা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছি।

আর্নট্রিক্স: সহায়ক হিসেবে ট্রেনিং বা কারো ব্যক্তিগত সহায়তা নাকি ইন্টারনেটের বিভিন্ন রিসোর্সের সহায়তা নিয়েছিলেন? 
মামুন সৃজন: না কোথাও কোন ট্রেনিং বা ব্যক্তিগত সহায়তা নেবার সুযোগ আমার হয়নি। পুরোটাই ইন্টারনেটের উপরে নির্ভরশীল। এখন আমার পেশার অনেকের সাথে আমার পরিচয় থাকলেও যখন শুরু করেছি তখন এ পেশার কারো সাথে পরিচয় ছিল না। আর সত্যিকারের ইচ্ছা থাকলে কারো ব্যক্তিগত সহযোগিতা বা ট্রেনিংয়ের কোন প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। গুগল এবং ইউটিউবের ব্যবহার জানাই যথেষ্ট বলে মনে করি। আপনাকে সবজান্তা হতে হবে না, তবে জবাবটা খুঁজে বের করার পদ্ধতি জানতে হবে।

আর্নট্রিক্স: বর্তমানে অনেকেই কাজ না জেনে মার্কেটপ্লেসে কাজে নেমে পড়েন। এই বিষয়ে আপনার মতামত কি?
মামুন সৃজন: কাজ মোটেই না জেনে যারা মার্কেটপ্লেসগুলোতে যাচ্ছেন কাজের জন্য তাদের অন্তত একটা ব্যাপার বুঝা উচিত যে, মার্কেটপ্লেসগুলোতে বিড করে কাজ নিতে হয়। সেখানে ফিডব্যাকের একটা ব্যাপার আছে, যা একজন ফ্রিল্যান্সারের ক্যারিয়ারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হয়তো দেখা গেল কেউ কাজ না জেনে মার্কেটপ্লেসে গেল, বিড করে একটা কাজও পেয়ে গেল। ক্লায়েন্ট তাকে কাজটির জন্য সময় দেবে এবং হয়তো কিছু টাকাও অগ্রিম দেবে। যিনি কাজটি জানেন না, তিনি কাজটি করতে পারবেন না এটাই স্বাভাবিক। ফলে ক্লায়েন্ট তার সময়ের অপচয় করানোর জন্য তাকে অবশ্যই নেগেটিভ ফিডব্যাক দেবে । কেননা ক্লায়েন্ট তার পেছনে যে সময়টি ব্যায় করেছে সে সময়টি কাজ জানা কারো পেছনে ব্যায় করলে তার কাজটি হয়ে যেত। আর নতুন অবস্থায় কেউ যদি একটা নেগেটভ ফিডব্যাক পায় ভবিষ্যতে যত এক্সপার্টই হোক না কেন আবার কাজ পাওয়াটা সহজ হবে না।

আপনি হয়তো ভাবতে পারেন, অসুবিধা কি? বিকল্প ব্যবস্থা করবো! সেটাতেও খুব সুবিধা করতে পারবেন বলে মনে করি না। আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে No Indian Contractor লিখে সার্চ দিলে অসংখ্য জব পোস্ট পাবেন যেগুলোকে ক্লায়েন্ট উল্লেখ করেই দিয়েছে সে কোন ইন্ডিয়ান কন্ট্রাকটরকে কাজ দেবে না যত এক্সপার্টই হোক না কেন। একই সার্চ বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও করে দেখুন অনেক পাবেন। এগুলোর কারণ কিন্তু ওটাই। কোন বাংলাদেশি হয়তো ওই ক্লায়েন্টের সময় বা টাকার অপচয় করেছে বা কোন ঝামেলা হয়েছে। এর ফল ভোগ করছে সব বাঙালী। আপনি একটা ঝামেলা করে সব বাঙালীর ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে পালাবেন ভাল কথা। ভবিষ্যতে কোনদিন ফিরতে হলেও আপনাকে বাঙালী হয়েই ফিরতে হবে। সারা বিশ্বের ক্লায়েন্টরা এসইও এক্সপার্ট বলতে প্রথমেই বাংলাদেশের কথা চিন্তা করে। কিন্তু এসইও এক্সপার্টের নাম দিয়ে যখন কাজ না জানা লোকগুলো ক্লায়েন্টদের বিরক্তির উদ্রেক করতে থাকবে তখন বাঙালীরা এসইওতে আরো যতই অগ্রসর হোক না কেন ক্লায়েন্টগুলো বাঙালীদের এড়িয়ে যেতে চাইবে। এটাই স্বাভাবিক। আপনাকে মনে রাখতে হবে আপনার নামের পাশাপাশি আপনি আপনার দেশের পতাকা বহন করছেন। যখন নিজের ক্ষতি করছেন পাশাপাশি দেশের ক্ষতিও করছেন।

একটা স্বাভাবিক ব্যাপার আমরা প্রায়ই ভুলে যাই। সেটি হলো, প্রথম শ্রেণী থেকে মাস্টার্স পাশ করতে কত বছর লাগে এবং পাশ করার পরও ৩০ হাজার টাকা বেতনের চাকরীর জন্য কত টাকা ঘুষ দেয়া লাগে! এখানে আপনারতো ইন্টারনেট বিল ছাড়া টাকা-পয়সা খরচের কোন ব্যাপার নেই, আপনি যে কাজ করার জন্য মার্কেটপ্লেসে যাচ্ছেন সে কাজের পেছনে কত বছর ব্যয় করেছেন এবং ওই বিষয়ের উপরে পরীক্ষা নিলে কত নম্বর পাবেন? এরপর সিদ্ধান্ত নেওয়াটা অনেক সহজ আপনার কী করা উচিত।

আর যারা কাজ জানেন তারাও নিজের দক্ষতা যাচাই এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য প্রথমেই বিড করতে না নেমে ৯৯ ডিজাইনস এর মত বিভিন্ন ডিজাইন কনটেস্ট সাইটে কনটেস্টে অংশগ্রহণ করুন। এখানে আপনার কাজ ভাল হলে এবং ক্লায়েন্টের মনের মত হলে পুরস্কার পাবেন। যদি তা না হয় তাহলে কোন ক্ষতি নেই। তবে আপনার নিজের কাজ সম্পর্কে আপনার ধারণা হবে। একইভাবে গ্রাফিকরিভার এর মত সাইটগুলোতে আপনার ডিজাইন জমা দিন। যদি মানসম্মত হয় তাহলে সেটা ওরা ওদের সাইটে বিক্রির জন্য রাখবে এবং যতবার বিক্রি হবে আপনি ততবারই টাকা পাবেন। আর যদি আপনার কাজের মান ঠিক না থাকে ওরাই বলে দেবে আপনার কাজটিতে কোথায় সমস্যা। সেগুলো সমাধান করে আবার জমা দিন। এখানেও আপনার স্কিল ডেভলপ করার সুযোগ রয়েছে।

যখন আপনি মনে করবেন আপনি এখন বিড করার জন্য প্রস্তুত। তখন করতে পারেন। তবে অবশ্যই জব পোস্ট পড়ে যে কাজটা শতভাগ করতে পারবেন বলে আপনার আত্মবিশ্বাস আছে সেগুলোতে বিড করুন। এ ছাড়া অন্য কোন জব পোস্টে বিড করবেন না।

আর্নট্রিক্স: কেউ যদি মার্কেপ্লেসের বাইরে ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিজেকে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়,তবে তার করণীয় কি?
মামুন সৃজন: এটাকে পেশা হিসেবে নিতে গেলে আমার মতে কোন না কোন মার্কেটপ্লেস থেকে শুরু করাই সহজ। এটা মূলতঃ ক্লায়েন্ট ধরার জন্য। আপনি যখন একেবারেই নতুন তখন একজন ক্লায়েন্ট সরাসরি আপনার সাথে কাজ করতে আস্থা নাও পেতে পারে। সে ভয় পাবে আপনাকে অগ্রিম টাকা দিলে আপনি টাকা নিয়ে পালাবেন কিনা, আপনি ভয় পাবেন কাজ করে দিলে টাকা না দিয়ে পালাবে কিনা। কিন্তু আপনি কোন একটা মার্কেটপ্লেস থেকে যদি আপনার কোন ক্লায়েন্টকে খুশী করতে পারেন এবং তার সাথে ভাল সম্পর্ক স্থাপন করতে পারেন সে অবশ্যই তার পরবর্তী নিজের কাজগুলো আপনাকেই দেবে। একইসঙ্গে তার পরিচিত কোন বন্ধু তার কাছে জিজ্ঞাসা করলেও আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেবে। মার্কেটপ্লেসগুলোর নীতিমালা অনুসারে আপনি আপনার পুরোনো ক্লায়েন্টের পেমেন্ট মার্কেটপ্লেসের বাইরে লেনদেন করতে পারবেন না। তবে ঐ ক্লায়েন্টগুলো যাদেরকে রেফার করবে তাদের পেমেন্ট আপনি অবশ্যই বাইরে থেকে নিতে পারেন এবং এরাও যাদেরকে রেফার করবে তাদেরটাও।

এছাড়া ড্রিবল, বিহ্যান্স, লিংকডইন, ভিজ্যুয়ালসিভি এরকম অনেক মাধ্যম আছে যা আসলে কোন মার্কেটপ্লেস না কিন্তু সেখানে Google, Vimeo মত প্রতিষ্ঠানগুলোও ডিজাইনারের খোঁজ করে থাকে। এগুলোর ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।

বিভিন্ন গ্রাফিক ডিজাইন রিলেটেড ব্লগ ফোরামে সময় দিন। সম্ভব হলে পোস্ট করুন। পোস্ট করতে না পারলে অন্তত মন্তব্য করুন (অবশ্যই বিজ্ঞাপনধর্মী স্পাম মন্তব্য নয়)। আপনার মন্তব্য থেকে ধারণা পাওয়া যায় আপনি এ বিষয়ে কতটা অভিজ্ঞ। অনেকেই আপনার অভিজ্ঞতার সাথে মেলে এমন কাজে জন্য আপনাকে অনুরোধ/প্রস্তাব করতে পারে।

আর্নট্রিক্স:  গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করতে হলে নতুনরা কি কি সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে? তাদের জন্য আপনার পরামর্শ কি?
মামুন সৃজন: বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা বিদ্যুত এবং ইন্টারনেট। আমি বলছি না আপনাকে হাইস্পিড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট, আইপিএস সব নিয়ে মাঠে নামতে হবে। তবে সাধ্যের মধ্যে সেরাটাই করার চেষ্টা করুন। গ্রাফিক্স এবং মাল্টিমিডিয়া বিভাগে যারা কাজ করেন এদের জন্য ইন্টারনেটের স্পিড খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার। কেননা ক্লায়েন্ট আপনাকে কয়েক কিলোবাইটের একটা ইন্সট্রাকশনের সাথে কয়েকশ কিলোবাইটের কিছু ছবি দিয়েই খালাস। কিন্তু আপনি যখন কাজটা শেষ করবেন তখন সেই ফাইলগুলোর সাইজ কয়েকশ মেগাবাইট থেকে কয়েক গিগাবাইটও হতে পারে। সেগুলো আপনাকে আপনার ইন্টারনেট এবং বিদ্যুতের উপরে ভরসা করেই পাঠাতে হবে।

দ্বিতীয় সমস্যা অনেকেই ডিজাইনে গুগল ইমেজ সার্চ থেকে ছবি নিয়েই যত্রতত্র ব্যবহার করছেন। প্রোফেশনাল কাজের ক্ষেত্রে এ অভ্যাস বাদ দিতে হবে। আপনি যখন কমার্সিয়াল কাজে কোন ডিজাইন ব্যবহার করছেন অবশ্যই আপনাকে সেটার লাইসেন্স করতে হবে। স্টক ইমেজের ব্যবহারে অভ্যস্ত হোন। আপনি ১ হাজার ডলারে একটা কাজ করবেন আর সেটার জন্য ৫০ ডলার ব্যয় করতে পারবেন না স্টক ইমেজ কেনার জন্য? প্রয়োজনে আপনার ক্লায়েন্টকে বলুন প্রয়োজনীয় ছবিগুলো কিনে দিতে অথবা কাজের কোটেশন দেবার সময় স্টক ইমেজের দামের হিসেব করেই কোটেশন দিন। কেননা আপনার অবৈধভাবে ব্যবহার করা কোন ছবির কারণে কোন ক্লায়েন্টের বিরুদ্ধে মামলা হলে সেটার দায়ভার আপনার উপরেও বর্তাবে।

আরেকটা বড় সমস্যা ইংরেজী। আপনার জন্য ইংরেজিতে কথা বলা বাধ্যতামূলক না। তবে ক্লায়েন্ট ইমেইলে কি বোঝাতে চাইছেন এবং আপনি ক্লায়েন্টকে আপনার কথাগুলো বোঝাতে পারছেন এতটুকু জানতেই হবে। আমাদের আশেপাশেই অনেক এক্সপার্ট আছেন যারা শুধুমাত্র ইংরেজীর ভয়ে আউটসোর্সিং থেকে দুরে আছেন। তাদেরকে বলতে পারেন, ডিজাইনার হবার জন্য ১০ বছর ব্যয় করলেন, আর দুটো মাস কি ইংরেজীর জন্য ব্যয় করা যায় না?

comments

Comments

  1. Amanix says:

    মামুন সৃজন ভাই বরাবরই INSPIRING মানুষ

  2. হয়তো কারো কারো ক্ষেত্রে এমন হয় যে, কোন শিক্ষাগত আভিজ্ঞতাই ছাড়া সে একজন দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার । তার একটি নিদিষ্ট কারণ তার পিছনে কাজ করে তার তা হলো প্রচুর অভিজ্ঞতা। তিনি যতটা না শিক্ষিত তার থেকে বেশি অভিজ্ঞ। এই অভিজ্ঞতাই ফ্রিল্যান্সি হবার অনুপ্রেরনা যোগায়।
    বর্তমানে নিজেকে অনেক বড় অপরাধী মনে হয়। কেন নিজে কিছু করতে পারি না। কারো জন্য কিছু করতে পারি না। নিজেকে অনেক পরীক্ষার সম্মুখীন করি। তাও করতে পারি না। মাঝে মাঝে হতাশ হয়ে পড়ি নিজেকে নিয়ে।

    তখন অনুপ্রেরনা পাই তাদের দেখে যারা অনেক কষ্টে আজ প্রতিষ্ঠিত করেছেন তাদের যোগ্যতা তাদের কর্ম। তখন পথ চলার সহায়ক হিসাবে তাদের পথা চলা অভিজ্ঞতাকে বুঝবার চেষ্টা করি। কোথাও আটকে গেলে উপর ওয়ালা কাছে সাহায্য চাই আর এই অভিজ্ঞ বন্ধদের সহোযগিতায় সফল হবার চেষ্টা করি।

  3. অসাধারণ ইন্টারভিউ মামুন ভাই। 🙂

    • bd.afjal says:

      i got so inspires reading this article……..thanks tuhin vi

      • বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহীন says:

        অনেক ধন্যবাদ আপনাকেও পোস্টটি সময় নিয়ে পড়ার জন্য। এখানেই লেখার সার্থকতা। তবে ধন্যবাদটি মামুন সৃজন ভাইয়ের পাওয়ার কথা। কারণ এখানে সবকিছুই তাকে ঘিরে, তার মুখের কথা লেখা। সেই কথা আপনাদের কাছে পৌছে দেওয়ার আমি মাধ্যম মাত্র। 🙂

  4. নামহীন says:

    আমার স্বপ্ন আমিও একজন খুব ভালো ডিজাইনার হতে চাই আর অবশ্যই দেশের জন্য কিছু করতে চাই।

    আমার জন্য দোয়ার করবেন কিন্তু 🙂

  5. মামুন ভাই আমার কাছে অনেক প্রিয় একজন ব্যাক্তিত্ব, প্রয়োজনে অপ্রয়জনে উনাকে যে কত জ্বালিয়েছি তার অন্ত নেই। উনাকে অনুসরন করে চলার চেষ্ট করি, একজন ফ্রিল্যান্সারের সব সমস্যার সমাধান যেন তার হাতের মুঠোয়। কিছুদিন আগে আমার ওডেস্কে দুটি বড় ধকল যায়, মামুন ভাইয়ের দেয়া ধৈর্যতেই(কেননা আমি সবকিছু গুলিয়ে বসেছিলাম) আমি দুটি বিপদই কাটিয়ে উঠতে পারি। উনার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ, শুধু তাই নয় ওডেস্ক হেল্প গ্রুপে যারা আছেন কম বেশি সবাই উনার সাহায্য পেয়েছেন।

    উনার দীর্ঘায়ু কামনা করছি 🙂

  6. আমি আপনার সাথে একমত হতে পারি একটা বিষয়ে যেটা হল আমরা বাংলাদেশের
    যেন খারাপ না করি ।আমি এখানে আছি

  7. Faisal Khan says:

    দারুণ ইন্টারভিউ 🙂

  8. মামুন ভাই অসাধারণ ইন্টারভিউ। আমি ১০০% আত্নবিশ্বাস নাই দেখেই ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে বিড করি না। অন্যদিকে ক্যারিয়ারকে ঘুরিয়ে নিয়েছে। কারণ এটাতেই একমাত্র ১০০% আত্নবিশ্বাস আছে। অনেকেই কাজ না জেনে টাকা আয় করার চিন্তা করেন। তাদেরকে বুঝতে হবে কাজ না পারলে মানুষ তাদের টাকা দিবে কেন।

  9. ধন্যবাদ, আর্ণ ট্রিক্স কে। হ্যাঁ, আমরা ভুলে যাই যে আমাদের মাথা টুলস গুলো থেকে দ্রুত চলে। আমরা কোন কিছু চিন্তা না করেই সরাসরি মাঠে নেমে পড়ি এবং পরাজিত হলে হতাশ হয়ে যাই যা আমাদের নিজেদেরকেই ধংস করে।

    • বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহীন says:

      আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ আর্নট্রিক্সের পক্ষ থেকে। আসলে কাজ জানলে কাজের অভাব হয় না, তাই পরাজিত হওয়ার কোনো আশংকা থাকে না…

  10. খুব চমৎকার একটা ইন্টারভিউ পড়লাম। মামুন ভাইয়ের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।

  11. Sojib Rahman says:

    খুব ভালো একটা পোষ্ট। চমৎকার করে ডাটা গুলো উপস্থাপনের জন্য ধন্যবাদ মামুন ভাইকে।

  12. Brilliant interview taken from Mr. Mamun. Truely inspirational info and thanks to Mr. Tuhin for this interview. We are really really happy to hear from the Brilliant Jewels. We hope we will get such invaluable stuffs from this source. May Allah help both of you in both lives. Keep up such great jobs successfully with your dreams. Best of Luck!

  13. Rikon Rahman says:

    অনলাইনে কাজ করার সময় যাদের কাছ থেকে সব চেয়ে বেশী সহযোগীতা পেয়েছি। তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন মামুন ভাই। এই পোষ্ট কাল পড়েছিলাম, কিন্তু সময়ের অভাবে ধন্যবাদ দিতে পাড়িনি। পোষ্টটি পাবলিশ করার জন্য এডমিনকে অনেক ধন্যবাদ। আর মামুন ভাইকে আনলিমিটেড ধন্যবাদ। ভাইয়ের এই ইন্টারভিউ থেকেও অনেক নতুন বিষয় জানতে পাড়লাম।
    টয়টেলে বসে বসে আগে আমি অনেক ডিজাইন কনসেপ্ট তৈরী করতাম। কিন্তু, কেন জানি এই অভ্যাসটা চলে গিয়েছিল। আবার, কাল এই পোষ্ট পড়ার পর থেকে দেখতে পাড়ছি, অভ্যাসটা আবারও আমার মাঝে চলে এসেছে। চায়ের দোকানে বসে ২টা এবং বাতরুমে বসে ১টা কনসেপ্ট ১ দিনের মধ্যেই পেয়েছি। এই অভ্যাসটা আবার আমার মাঝে আনার জন্য মামুন ভাইকে ধন্যবাদ।
    নতুন ফ্রিল্যান্সার ভাইদের উদ্দেশ্যে—
    মামুন ভাই বলেছেন, “আমাদের আশেপাশেই অনেক এক্সপার্ট আছেন যারা শুধুমাত্র ইংরেজীর ভয়ে আউটসোর্সিং থেকে দুরে আছেন। ”
    এই সব ভাইদের বলি- ভাইয়েরা, ”আমি আমার শিক্ষা জীবনে (এখন পর্যন্ত) সব সময় ইংরেজীতেই সব চেয়ে কম নাম্বার পেয়েছি। আজ পর্যন্ত ইংরেজী বই খুললে অটোমেটিক ঘুম চলে আসে।” সেই আমিওতো এখন কম-বেশী ফ্রিল্যান্সিং করছি। তাই, ইংরেজীকে ভয় করার কোন দরকার নেই।
    আপনার কাজ শিখার মাধ্যমেই ইংরেজীকে আয়ত্ত করতে পাড়েন। যেমন: আপনি অনলাইন থেকে কয়েকটা ইংরেজী টিউটোরিয়াল দেখলেন। এতে আপনার কিছু চর্চা হল। তারপর, ফ্রি ব্লগ করে ঐটাতে কিছু ইংরেজী টিউটোরিয়াল লেখালেখি করেন। এভাবেই আস্তে আস্তে ইংরেজীতে দক্ষ হতে পাড়বেন। (আমি যা ইংরেজী শিখেছি, তা এভাবেই।)। অবশেষে, আবারও মামুন ভাইয়ের সাথে একথা বলি, “একাডেমিট শিক্ষায় এতো সময় আর টাকা ব্যয় করে পাশ করতে রাজী হবেন। হাজার টাকা ঘুষও দিতে ইচ্ছা আছে। আর, মাত্র ছয় মাস কিংবা এক বছর সময় দিয়ে অনলাইনে কাজ শিখবেন আর মাসে ৫০০ টাকার মত ইন্টারনেট বিল দিবেন। এগুলো করতে এত নাকুচ প্রকাশের কি আছে? আরে, কাজ পেলেন কিংবা নাই পেলেন, অন্তত কিছুতো শিখলেন। আর লক্ষ ঠিক থাকলে কাজ আসবে, সাথে কাজের বাপও আপনার কাছে আসবে।”
    ধন্যবাদ।

    • বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহীন says:

      আর্নট্রিক্সের পক্ষ থেকে আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। আশাকরি আর্নট্রিক্সের সঙ্গেই থাকবেন.. 🙂

  14. মামুন ভাই আমার একজন প্রিয় মানুষ। তার অনুপ্রেরনায় আমি ফ্রীল্যান্সিং করা শুরু করি। ধন্যবাদ মামুন ভাই কে কিছু গুরতপূর্ন কথা বলার জন্য, এবং ধন্যবাদ তুহিন ভাইকে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করার জন্য।

    • বদরুদ্দোজা মাহমুদ তুহীন says:

      আপনাকেও ধন্যবাদ বাঁধন.. 🙂

  15. আমি সত্যি সত্যিই এতটা কাজে আসতে পেরেছি কিনা নিজেই যথেষ্ট কনফিউজড 🙂 তবে এ কথা সত্যি আপনাদের এই মন্তব্যগুলো কিন্তু সত্যিই আমার ইন্সপায়ারেশন হিসেবে কাজ করে।

  16. মামুন ভাইয়ের ইন্টারভিউ পড়ে আমার তো ডিজাইনার হতে ইচ্ছে করছে এখন… 🙂

  17. অনেক দেরীতে পড়লাম। মামুন ভাইয়া আমার একজন খুব প্রিয় মানুষ। ওনার ব্লগ, ক্রিয়েটিভ এলিয়েন্সে মাঝে মাঝেই ঘুরে আসি। আজকে ইন্টারভিউটা পড়ে বেশ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আর্নট্রিক্সকে। শুভ কামনা রইলো মামুন ভাইয়ার জন্য। তুহীন ভাইয়াকে ধন্যবাদ সুন্দর ইন্টারভিউর জন্য।

  18. those who write hero of bangladesh.

  19. mehedi44 says:

    অনুপ্রেরনামূলক কথাবার্তা! 😉 😉

মন্তব্য প্রদান করুন

*