বছরে ৯ কোটি ডলারের অনলাইন বিজ্ঞাপন!

লেখক : , প্রকাশকাল : 22 November, 2012

অনলাইন বিজ্ঞাপনে নতুনত্ব নিয়ে ধুমছে কাজ করছে বিজ্ঞাপনসংস্থাগুলো। এ সময়ে সানফ্রানসিসকোনির্ভর সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান ‘মার্টিন সফটওয়্যার’ বিজ্ঞাপনের নতুনত্ব আনার কৌশল নিয়ে কাজ করছেন।

বিশ্বের সব প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড খুঁজে বের করার কাজে নেমেছে এ প্রতিষ্ঠানটি। মার্টিন সফটওয়্যারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান কারিগরি নির্বাহী জোসেফ চেং বলেন, খুঁজে দেখছি সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহারকারীরা ঠিক কোন শব্দটি বেশি খুঁজে দেখেন। ১ হাজার ৮০০ ব্যবহাকারীর ওপর গবেষণা করে ৩০০ কোটি বিশেষ কি-ওয়ার্ড খুঁজে পাওয়া গেছে।
Online-Advertising
সার্চ ইঞ্জিন গুগল এবং তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানগুলো এরই মধ্যে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন নিয়ে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করছেন। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কি-ওয়ার্ড দিয়ে সার্চের প্রথম সারিতে তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বড় প্রতিষ্ঠানগুলো অনলাইনে বিজ্ঞাপনের চেয়ে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন নিয়েই বেশি চিন্তিত বলে জানিয়েছে মার্টিন সফটওয়্যার।

অনলাইন বিজ্ঞাপনে খুব সহজে মানুষের কাছে যাওয়ার পদ্ধতি সবারই জানা। এ বছরের হিসাবে দেখা গেছে, অনলাইন বিজ্ঞাপনে বিশ্বে ৯ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে। যা গত বছর থেকে তিনগুণ। আগামী সময়েও অনলাইন বিজ্ঞাপনী ব্যয় বাড়ার সঙ্গে হয়ে উঠবে বহুমাত্রিক।

কিন্তু এর সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের প্রভাব বিস্তার এবং একই সঙ্গে ‘সার্চ বিজ্ঞাপণ’ দেওয়ার বিষয়েও আগ্রহী হয়ে উঠছে সবাই। গুগল, ফেসবুক, ইয়াহু, টুইটার ছাড়াও যেকোনো সাইটের সার্চ অপশানে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তথ্য পাওয়ার বিষয়টিও সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাচ্ছে।

গুগল এবং অ্যাডোব বহুদিন ধরেই ‘সার্চ মার্কেটিং’ নিয়ে কাজ করছে। এখন অন্য সব প্রতিষ্ঠানকে আগ্রহী করতেই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে মার্টিন সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানটি।

এ প্রতিষ্ঠানটি এবারে এখন পর্যন্ত অনলাইন বিজ্ঞাপনে আয় করেছে ৫ কোটি মার্কিন ডলার। যা দেখে তারা বলছেন, অচিরেই প্রতিষ্ঠানগুলো এ বিষয়ে নতুন সব কৌশল তত্ত্ব আনবে। এ জন্য অনলাইন বিজ্ঞাপনে ‘সার্চ মার্কেটিং’ হতে পারে নতুন ধারার আইডিয়া।

এছাড়া বিজ্ঞাপন হতে হবে ইন্টারঅ্যাকটিভ। এ সময়ে শুধু সাধারণ ব্যানার এবং লোগো দিয়ে অনলাইন বিজ্ঞাপনের বাজার খুব বেশি দূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না

comments

মন্তব্য প্রদান করুন

*